শুকতারায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত “সোনার ঘন্টা”।এই উপন্যাসটির জন্য, শুকতারার নতুন সংখ্যা এলে বাড়িতে কারাকারি পরে যেত,ফ্রান্সিস,হ্যারি,ফজলের কি হলো জানবার জন্যে। অ্যাডভেঞ্চারের উত্তেজনা কি, তা সেই প্রথম উপলদ্ধি করেছিলাম। ফ্রান্সিসকে ফাসী দেওয়া হলো,একথা পড়ার পর শুকতারার পরবর্তী সংখ্যা এসে না পৌছনো পর্যন্ত একমাস অসহনীয় উদ্বেগের মধ্যে থাকলাম।;সোনার ঘন্টা’ জয়লাভের পর এলো ‘হীরের পাহাড়’।ওঙ্গালীর বাজার,বেদুইন দস্যুদল আজও যেন চোখ বুুজে কল্পনা করতে পারি।মসজিদের গম্বুজের মতো দুটি হীরের খন্ড।নিজের বুদ্ধি ও সাহসীকতার দ্বারা তাই জ্য়লাভ করল ফ্রান্সিসরা।এবার ফেরার পালা।কিন্তু পথে জলদস্যু ‘লা বুশ’ সমস্ত সম্পদ কেড়ে নিল।’লা বুশে’র কয়েদঘরে ফেদারিকোর থেকে জানতে পারল ‘মুক্তোর সমুদ্র’র কথা।হাসের ডিমের মতো মুক্তো।সেখানে পাহারাদার ভয়ঙ্কর ‘লাফ মাছ’,ডাঙ্গায় খোলা তরোয়াল হাতে লা বুশের দল।সব কিছু অতিক্রম করে মুক্তো নিয়ে ঘরে ফিরল ফ্রান্সিসরা।একটা বড় মুক্তো নিজ হাতে দিল রাজকুমারী মারিয়াকে।শেষটি ‘তুষারে গুপ্তধন’ আরও অসাধারণ গল্পটি পাঠকদের জন্য রাথলাম।সর্বশেষে বাড়ি ফিরে ফ্রান্সিস উপলদ্ধি করল, তার জীবনের সবচেয়ে অমূল্য সম্পদটি হারিয়ে ফেলেছে।রাজকুমারী মারিয়ার সাহচর্যে এই অপুরণীয় পরিস্থিতি অতিক্রম করে ফ্রান্সিস পারবে কি তার অ্যাডভেঞ্চারের জীবনে ফিরতে?